আমার সোনার বাংলা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গানটির রচয়িতা ও সুরকার। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে এ গানটির প্রথম দশ লাইন বাংলাদেশের জাতীয়সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।
আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিল শিলাইদহের ডাক পিয়ন গগন হরকরা রচিত আমি কোথায় পাব তারে আমার মনের মানুষ যে রে গানটির সুরের অনুষঙ্গে
রচনা ও সুরারোপ
গানটি রচিত হয়েছিল ১৯০৫ সালে। গানটির পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায়নি, তাই এর সঠিক রচনাকাল জানা যায় না। ৭ সেপ্টেম্বর (১৩১২ বঙ্গাব্দের ২২ ভাদ্র) সঞ্জীবনী পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের সাক্ষরে গানটি মুদ্রিত হয়। এই বছর বঙ্গদর্শন পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যাতেও গানটি মুদ্রিত হয়েছিল।আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিল শিলাইদহের ডাক পিয়ন গগন হরকরা রচিত আমি কোথায় পাব তারে আমার মনের মানুষ যে রে গানটির সুরের অনুষঙ্গে
| আমার সোনার বাংলা
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি। |
||
|
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি। |
||
|
ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে-- মরি হায়, হায় রে ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা খেতে, আমি কী দেখেছি মধুর হাসি।। |
||
|
কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো- কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে। |
||
|
মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো-- মরি হায়, হায় রে মা, তোর বদনখানি মলিন হলে আমি নয়ন জলে ভাসি।। |
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন